বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন ডেক্সঃ আজ শনিবার দুপুরে সিলেট নগরের দরগাহ গেট এলাকার একটি হোটেলের সম্মেলনকক্ষে এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, ‘আমরা যে সনদটা পাস করেছি ও সিগনেচার করেছি, সেইটা কিন্তু ‘নোট অব ডিসেন্ট’-সহ সিগনেচার করেছি। অথচ ঐকমত্য (কমিশন) সম্পূর্ণ যে বিষয়গুলো আলোচনাতেই আসে নাই, সেগুলোও ঢুকিয়েছে।’
নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সেলিমা বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে আমরা এখনো আশঙ্কা প্রকাশ করিনি। আমরা চাই নির্বাচন, আমরা নির্বাচনমুখী দল। আমাদের আশঙ্কা এখনো আসেনি, তবে আমরা সরকারকে মানে এখন…বিভিন্ন ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সেগুলা পাবলিককে বলছি। তবে কিছুটা তো ঝামেলা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
বিএনপির এই নেত্রী বলেন, ‘আমাদের মনে হয় নির্বাচন হবে, হয়ে যাবে। এর আগে বেশ কিছু ঝামেলা হয়তো হতে পারে। ঝামেলা মানে এই সমস্ত ছোটখাটো ঝামেলা, যেগুলা নিয়ে আজকে সংস্কারের কথা আসছে কিংবা গণভোটের কথা আসছে। যেটা আমরা প্রথমেই বলে দিয়েছি সংসদ নির্বাচনের সময় গণভোট একই সঙ্গে করব।’
ঐকমত্য কমিশনের বিষয়ে সেলিমা রহমানের ভাষ্য, ‘বলতে গেলে একটা বছর আমরা ঐকমত্যের সঙ্গে বসছি। ঐকমত্যে যাঁরা ছিলেন, যাঁরা হেড, তাঁরা হয়তো অনেক গুণী মানুষ বা বিশেষজ্ঞ হতে পারেন। কিন্তু তাঁরা কিন্তু এ দেশের কেউ নন। তাঁরা এই দেশের সংবিধান সম্বন্ধে অতটা ওইভাবে কথা বলতে পারেন না।’
এর আগে আলোচনা সভায় নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্যসচিব নিপুণ রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদীর, দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গউছ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমেদ ও মিফতাহ সিদ্দিকী সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ অন্য নেতা-কর্মীরা।
সভায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন উপজেলার নারী জনপ্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। এ সময় তাঁরা বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। পাশাপাশি ঘরে ঘরে গিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার প্রচারণা চলানোর কথাও জানান।
মন্তব্য করুন