পটুয়াখালী ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে জামায়াত ও বিএনপি’র সমর্থকদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পাল্টাপাল্টি হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার অভিযোগে শুক্রবার সকালে কালাইয়া বন্দরের ডেকোরেটর ব্যবসায়ী মো. শাহআলম বিপ্লবের (৪৬) ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াসের অনুসারী সুজন, আলামিন, ল্যাঙা মিজান সহ যুবদল কর্মীরা। পরে তাঁরা মো. সেলিম (৫২) নামের এক কাঠ ব্যবসায়ীকে মারধর করে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র সহ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী মো. গিয়াস উদ্দিনের বাসায় অবস্থান নেন। এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে জামায়াত ইসলামীর কর্মী-সমর্থক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা একত্রিত হয়ে গিয়াসের বাড়ি সংলগ্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দলীয় কার্যালয়ে হামলা করে সামনে রাখা কয়েকটি মোটরসাইকেল ও ফ্রিজ ভাঙচুর করে। অপরদিকে কনকদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বীরপাশা খায়েরবাজার এলাকায় বিএনপির কর্মী আলমগীর গাজী (৫৫), শাহাবুদ্দিন সরদাকে (৪৮)পিটিয়ে জখম করে জামায়াত সমর্থকেরা।আহত দুজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও আজ দুপুর একটার দিকে কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রামে মো. ফিরোজ (৫৫) নামের জামায়াতের এক সমর্থককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেছে বিএনপির কর্মী সমর্থকেরা। আহত ফিরোজকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম বলেন,‘কয়েকটি জায়গায় হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের কথা শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’জামায়াতের বিজয়ী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন,‘প্রতিহিংসার রাজনীতি তিনি পছন্দ করেন না। কোনোভাবেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। তাঁর কোনো কর্মী-সমর্থক হামলা ও মারামারির ঘটনায় জড়িত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধে অবশ্যই দলীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন